সর্বশেষ আপডেট



» জেলিযুক্ত ও রং মেশানো মাছ জব্দ করতে গভীর রাতে মৎস্য আড়তে বারইয়ারহাট পৌর মেয়র খোকনের অভিযান (ভিড়িওসহ)

» মিরসরাইয়ে ন্যায় বিচারের দাবীতে গরু ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

» লিও ক্লাব অব চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ের কমিটি গঠন; সভাপতি তোফাজ্জল , সম্পাদক আসিফ

» কথা রাখলেন বারইয়ারহাট পৌর মেয়র খোকন : অসহায় বিধবা পেলেন নতুন ঘর (ভিড়িওসহ)

» কুয়েতে দুর্ঘটনায় নিহত ইছাখালীর গোলাম রসুলের পরিবারকে দেড় লক্ষাধিক টাকার অনুদান দিল মিরসরাই সমিতি কুয়েত

» স্মৃতিতে সড়কে নিভে যাওয়া আলা উদ্দিন : মধ্যম মুরাদপুর থেকে ধানমন্ডি ২৭

» মঘাদিয়া ও মিরসরাই পৌরসভায় ১ দিনের ব্যবধানে করোনায় ২ জনের মৃত্যু

» বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণও পুণর্বাসন সোসাইটির মিরসরাই উপজেলা যুবকমান্ডের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা

» একশত পরিবারকে ইফতার সামগ্রী দিল পশ্চিম জোয়ার ক্রীড়া সংস্থা

» মুহুরী প্রজেক্ট ফুটবল প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল সম্পন্ন (ভিড়িওসহ)

» বারইয়ারহাট গরুর মাংস বিক্রেতাদের কঠোর হুশিয়ারি দিলেন মেয়র খোকন, নতুন দাম নির্ধারণ (ভিড়িওসহ)

» মিরসরাই উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা, নেতৃস্থানীয় নেতাদের সাথে মতবিনিময়

» মিরসরাইয়ের প্রকৌশলী রুবেল ফেনীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত

» মহিয়সী নারী জাহানারা চৌধুরী লাকীর চিরবিদায়; স্মৃতি রোমন্থন

» করোনায় প্রবাসীর মৃত্যু, লাখ টাকা অনুদান দিল মিরসরাই জনকল্যাণ সমিতি কুয়েত

» মিরসরাইয়ে মুহুরী প্রজেক্ট ফুটবল প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধন

» কুয়েতে ভবন থেকে পড়ে নিহত মিরসরাইয়ের গোলাম রসুলের লাশ দেশে আসছে কাল

» মিরসরাইয়ে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত

» মুক্তিযুদ্ধ ও মীরসরাইয়ের যুবশক্তি

» দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে মিরসরাইয়ে অর্ধশত শিক্ষার্থী নিয়ে টেকনিক্যাল স্কুলের যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

এম আনোয়ার হোসেন
মোবাইলঃ ০১৭৪১-৬০০০২০, ০১৮২০-০৭২৯২০।

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ

প্রিন্সিপাল সাদেকুর রহমান ভবন (দ্বিতীয় তলা), কোর্ট রোড, মিরসরাই পৌরসভা, চট্টগ্রাম।
ই-মেইলঃ press.bd@gmail.com, newsmirsarai24@gmail.com

Desing & Developed BY GS Technology Ltd
১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং,৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধ ও মীরসরাইয়ের যুবশক্তি

কামরুল হাসান জনি::: মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী যুবক তরুণরা নিজের জীবনকে বাজি রেখে, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে, মাতৃভূমি রক্ষার জন্যে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। এক কঠিন ও কষ্টকর সংগ্রামী জীবনের সন্ধানে মাইলের পর মাইল পথ পায়ে হেঁটে তারা প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য হাজির হয়েছিলেন। এর আগে দেশের শান্তিকামী মানুষ মনে-প্রাণে প্রত্যাশা করছিল স্বাধীন দেশের, স্বাধীন সার্বভৌমের। সেই অনুযায়ী পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন, শোষণের বেড়াজাল ছিড়ে বেরিয়ে আসতে ডাক এলো স্বাধীনতার, মুক্তির সংগ্রামের। ৭ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মঞ্চে এলেন, ঘোষণা দিলেন স্বাধীনতার। গণমানুষের রক্তে শিহরিত হলো মুক্তির আন্দোলন। একদিকে প্রতিরোধ অন্যদিকে মুক্তি, দুটো মিলে সৃষ্ট যুদ্ধে দেশের হয়ে নানা বয়সী মুক্তিরা লড়াইয়ে নামলেন। সময়টা ১৯৭১ সাল। এই যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন তরুণ-যুবারা। যুদ্ধ জয়ের নেশা রক্তে মিশে যায় তাদের। ঘর ছাড়লেন, অনেকে প্রশিক্ষণ নিলেন ভারতে। এরপর সম্মুখ যুদ্ধ, ইতিহাস রচনা, স্বাধীন দেশ ও একটি মানচিত্র পাওয়ার আনন্দ উদযাপন দেখে সারাবিশ্ব।


মুক্তিযুদ্ধে দেশের প্রায় সব অঞ্চল থেকে মুক্তিকামী জনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তন্মমধ্যে সংখ্যায় বেশি ছিলেন তরুণ ও যুবকরা। প্রশিক্ষিত যুবাদের হাত ধরে মহান মুক্তিযুদ্ধে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে খন্ড খন্ড ইতিহাস রচিত হয়েছিল। যাদের বয়স তখন ১৮ থেকে ৩৫ বছর। মুক্তির এই সংগ্রামে আঞ্চলিক পর্যায়ের যোদ্ধাদের ভূমিকা ছিল অন্যতম। যেকারণে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই হয়েছে যুদ্ধকালীন যুবাদের নানা স্মৃতিকথা। ইতিহাস স্বাক্ষী দেয়- সেই সময় তরুণরা, যুবকেরা চোখে মুখে শুধুই মুক্তির স্বপ্ন আঁকতেন। একটাই স্বপ্ন নিয়ে ঘর ছাড়েন তারা- স্বপ্ন ছিল মুক্তি ও স্বাধীনতা। অধিকাংশই পায়ে হেঁটে পাড়ি দেন ভারতে। সেখানে হরিণা ক্যাম্পে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। দেশ জুড়ে তখন যুদ্ধ ময়দান। রণাঙ্গণে মুক্তিযোদ্ধরা। হরিণা ক্যাম্প ছাড়াও উদয়পুর, বগাপা, ওমপি নগর, লেম্বাছড়া, পোয়াংবাড়ি, দেমাগ্রী, বগা পাহাড়, শ্রীনগর, পালাটোনা, দেরাদুন-তান্দুয়া, হাফলং ট্রেনিং ক্যাম্পে হাজার হাজার যুবক প্রশিক্ষণ শেষে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পাকবাহিনীকে পর্যুদস্ত করে।


সমগ্র দেশের মুক্তিযুদ্ধের চিত্র নিয়ে ভাবতে গেলে প্রসঙ্গক্রমে চলে আসে মাতৃত্বের প্রিয় টান। চলে আসে মীরসরাইয়ের কথা। চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলা ছিল যুদ্ধকালীন সময়ের অন্যতম একটি কেন্দ্রবিন্দু। মুক্তিযুদ্ধের বেশ কিছু ঘটনা চক্রাকারে ইতিহাসের পাতায় এই অঞ্চলের নাম স্বর্ণাক্ষরে তুলে রেখেছে। ইতিহাস বলছে, সমগ্র দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বিএলএফ’র যোদ্ধা সহ এই অঞ্চলের প্রায় পাঁচ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। যারা পরে সম্মুখযুদ্ধ ও দুঃসাহসিক গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেন। মীরসরাইয়ের শুভপুর ব্রিজ ধ্বংস করা ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। এই কাজে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি তখন ২৮ বছর বয়সী টগবগে এক যুবক। তৎকালীন এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা যখন দেশব্যাপী হত্যাযজ্ঞ শুরু করে তখন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে ২৬টি পাকিস্তানি সৈন্যবাহী সাঁজোয়া যান চট্টগ্রাম অভিমুখে রওনা দেয়। এই খবর জানতে পেয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তাদের প্রতিরোধ করার জন্য তাঁর সাথীদের নিয়ে শুভপুর ব্রিজে অগ্নিসংযোগ করে ব্রিজটি ধ্বংস করে দেন। ওই সময় শুভপুর ব্রিজই ছিল ঢাকা হতে চট্টগ্রামে প্রবেশের ক্ষেত্রে একমাত্র পথ। সেসময় চট্টগ্রামে প্রবেশের জন্য এটি ছাড়া বিকল্প আর কোনো ব্রিজ ছিল না। সন্ধ্যায় তারা ব্রিজে পৌঁছান। ব্রিজ ধ্বংস করার জন্য কোনো বিস্ফোরক না পেয়ে প্রচুর পরিমাণ বিটুমিন ও কেরোসিন জোগাড় করেন। এরপর ব্রিজের কাঠের অংশে সংগৃহীত বিটুমিন ও কেরোসিন ঢেলে তাতে অগ্নিসংযোগ করেন। প্রচন্ড আগুনে ব্রিজের কাঠের অংশ সম্পূর্ণ জ্বলে যায়। ব্রিজটি একপ্রকার ধ্বংস হয়ে যায়। এটি সম্পূর্ণরূপে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেলে কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে ছেড়ে আসা ২৬টি সাঁজোয়া যান শুভপুর ব্রিজে এসে বাধাগ্রস্ত হয়। এই অভিযানে অংশ নেওয়া প্রায় প্রত্যেকে তখন মীরসরাইয়ের তরুণ-যুবক। এদের মধ্যে জিতেন্দ্র প্রসাদ মন্টু, মনির আহমদ কন্ট্রক্টর, ফেরদৌস বারী চৌধুরী, মহিউদ্দিন রাশেদ, কাইয়ুম নিজামী, শাহ আলম, মীর্জা ফিরোজ আহমদ, এটিএম ইসমাইল, মোশাররফ হোসেন বিকম, তোবারক হোসেন, আবুল কাশেম, ফজলুল হক, ইরফানুল হক, গোফরানুল হক, মো. ইউসুফ, ইলিয়াস, কাশেম খান, ফিরোজ খান, নিজাম উদ্দিন, জাফর আহমদ, প্রফেসর নুরুল আফসার, আব্দুল ওয়াহাব, আলাউদ্দিন, হাবিলদার মঈনউদ্দিন উল্লেখ্যযোগ্য ছিলেন।


মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী অসংখ্য যুবক নেমে পড়েন গেরিলা যুদ্ধে। এরা ৫-১০ জনের দলে ভাগ হয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। পাশাপাশি আত্মরক্ষার নানা কৌশল রপ্ত করেন। ভারতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা মীরসরাই এসে পাকিবাহিনী, রাজাকার ও এ দেশীয় দালালদের ওপর গেরিলা কায়দায় আক্রামণ চালিয়ে তাদের ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। বিভিন্ন সময় পাক হানাদার বাহিনীর ওপর গুপ্ত ও প্রকাশ্যে আক্রমণে অংশগ্রহণ করেন। গেরিলা যোদ্ধাদের অধিকাংশই যুদ্ধকালীন সময় ক্যাপ্টেন পি. কে. ঘোষের নেতৃত্বে প্রশিক্ষণ নেন। আবার কেউ কেউ প্রশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধাদের থেকেও রপ্ত করেন অস্ত্র ও গোলাবারুদ চালানোর নানা কৌশল। মীরসরাই উপজেলা জুড়ে বেশ কয়েকটি ঘটনার নজির রয়েছে যেখানে যুবকেরা গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এরমধ্যে- সুফিয়া রোড, চৈতন্য হাট, ঝুলনপোল, আবুতোরাব বাজার, ওসমানপুর লোহারপুল ও মস্তাননগরের যুদ্ধ অন্যতম। এসব গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ যুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। মূলত যুবক বয়সী এই গেরিলা যোদ্ধাদের অদম্য সাহস ও যুদ্ধাক্রমণ দেখে উৎসাহিত হয়েছিল সাধারণ জনতা। নির্বিঘ্নে পরে যারা লড়াইয়ের মাঠে বিজয়ের নিশান উড়ান।


১৯৭১ সালে দেশের ক্রান্তিকালে তরুণ-যুবাদের পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধার তালিকায় নাম লেখান মীরসরাইয়ের ১৫-১৬ বছর বয়সী দুই নারী। যুদ্ধকালীন সময় তারা একজন সপ্তম শ্রেণি ও অন্যজন নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। উপজেলার আবুল কাশেম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তৎকালীন এই দুই ছাত্রী হচ্ছেন- মধুমিতা বৈদ্য ও আলো রানী বৈদ্য। সম্পর্কে এরা দুই বোন। দেশপ্রেমে প্রণোদিত হয়ে এরা দুই নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধের কাজ করেন। চিকিৎসা সেবা দেন বিশ্রামগঞ্জ হাসপাতালে।


মীরসরাইয়ের প্রায় পাঁচ হাজারের মতো মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন খেতাবপ্রাপ্ত হন। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই পাঁচজন ছিলেন তখন টগবগে যুবক। এদের মধ্যে করেরহাট ইউনিয়নের মজাহারউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর-উত্তম খেতাব পান। যুদ্ধকালীন সময় তার বয়স ছিল মাত্র ২৭ বছর। অপারেশন জ্যাকপট এ অংশ নিয়েছিলেন তিন। সেই অপারেশনে চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করা ১১টি ছোট বড় জাহাজ ধ্বংস করা হয়। ধুম ইউনিয়নের কবির আহমদ পান বীর-প্রতীক খেতাব। যুদ্ধকালীন সময় তার বয়স ছিল ৩৯ বছর। তিনি হরিণা ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষ করে বিখ্যাত সালদা নদীর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দূর্গাপুর ইউনিয়নের ক্যাপ্টেন নুরুল হক পেয়েছেন বীর-প্রতীক খেতাব। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল ২৪ বছর। মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি এই খেতাব পান। মায়ানী ইউনিয়নের মোজাম্মেল হক পেয়েছেন বীর-প্রতীক খেতাব। যুদ্ধকালীন সময় যার বয়স ছিল ২৫ বছর। তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে জামালপুরের নকশী, সিলেটের ধলই, কুমিল্লার হরশপুর, রংপুর ও চিলমারিতে বীরত্বের পরিচয় দেন। উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের নায়েক সিরাজুল হক বীর-প্রতীক সম্মানে ভূষিত হন। যুদ্ধকালীন সময় তার বয়স ছিল ২৬ বছর। তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টের নায়েক, জেড ফোর্সের যোদ্ধা ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৪ আগস্ট তিনি নকশী বিওপির সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন।


নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে একটি স্বাধীন মানচিত্র পেয়েছে বাংলাদেশ। একটি বিজয় পেয়েছি আমরা। এখনও যার স্মৃতিস্বরূপ ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে অসংখ্য জোড়া কবর আর বধ্যভূমি। অন্যদিকে স্বাধীনতার স্বাদ এনে দেওয়া মুক্তিযোদ্ধারা হয়েছেন সর্বহৃদয়ে সম্মানিত। মুক্তির সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী সেসময়ের তরুণ-যুবারা, মুক্তিযোদ্ধরা হয়ে আছেন প্রজন্মের পর প্রজন্মের অনুপ্রেরণার বাতিঘর।
কামরুল হাসান জনি
সাংবাদিক, দৈনিক সমকাল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক ও প্রকাশক

এম আনোয়ার হোসেন
মোবাইলঃ ০১৭৪১-৬০০০২০, ০১৮২০-০৭২৯২০।

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ

প্রিন্সিপাল সাদেকুর রহমান ভবন (দ্বিতীয় তলা), কোর্ট রোড, মিরসরাই পৌরসভা, চট্টগ্রাম।
ই-মেইলঃ press.bd@gmail.com, newsmirsarai24@gmail.com

Design & Developed BY GS Technology Ltd